শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সৈকতে পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু সৌদিতে এরদোগান-সালমান-শাহবাজ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, হতে যাচ্ছে কি প্রতিরক্ষা চুক্তি? যে কারণে ইসলামে চুপচাপ থাকাও ফজিলতপূর্ণ নতুন তালিকা হবে ইয়াবা কারবারিদের, অপহরণ রোধে বসবে দুই সেনা ক্যাম্প: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়িতে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ার মগনামায় ওযু করতে গিয়ে মসজিদের ইমামের মৃত্যু তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ফারুকের ডিলার ব্যবসা, উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তনু হত্যা: সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ মহেশখালীতে ভাসমান বিকল এলএনজি টার্মিনাল আংশিক চালু ‘বিপুল’ অস্ত্রভান্ডারের দাবি ট্রাম্পের, তথ্য ফাঁসকারীদের হুঁশিয়ারি

ঐশ্বরিয়া ও মেয়ে করোনা মুক্ত

বিনোদন ডেস্ক:

করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরলেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও তার কন্যা আরাধ্য। সোমবার মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে থেকে ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন মা ও মেয়ে। সেখান থেকে নিজেদের বাড়ি ‘জলসা’য় ফিরে গিয়েছেন তারা। তবে আগের থেকে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও, এখনো হাসপাতালেই রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন এবং অভিষেক বচ্চন।

এ দিন হাসপাতাল থেকে নিজেই স্ত্রী ও কন্যার সুস্থ হয়ে ওঠার কথা জানান অভিষেক। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘অবিরত প্রার্থনা ও শুভেচ্ছার জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ। চিরকাল আপনাদের কাছে ঋণী থাকব। সৌভাগ্যবশত ঐশ্বরিয়া এবং আরাধ্যার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ওদের। এবার বাড়ি পৌঁছাবে ওরা। বাবা এবং আমি এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাকর্মীদের তত্ত্বাবধানে রয়েছি।’

গত ১১ জুলাই বচ্চন পরিবারের থাবা বসায় নোভেল করোনা। করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ায় পরীক্ষা করিয়েছিলেন তারা। চার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ওই দিনই মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি হন তারা। পরে নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সে কথা ঘোষণা করেন দু’জনে। এরপর ঐশ্বরিয়া, আরাধ্য, জয়া বচ্চন, শ্বেতা বচ্চন ও তার দুই ছেলেমেয়েরও করোনা পরীক্ষা হয়। তাতে বাকিদের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও, ১২ জুলাই ঐশ্বরিয়া এবং তার ৮ বছরের মেয়ে আরাধ্যর রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

ঐশ্বরিয়া এবং আরাধ্যর মধ্যে করোনার কোনো উপসর্গ ছিল না। তাই শুরুতে বাড়িতেই কোয়রান্টিনে ছিলেন তারা। প্রায় এক সপ্তাহ সেই অবস্থায় থাকার পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয় দু’জনের। তার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাদের। সেই সময় গোটা ‘জলসা’কেই কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করে মুম্বাই পৌরসভা। তবে দিন কয়েক আগে ‘কোভিড-১৯ জোন’ লেখা পোস্টার ওই বাংলোর দেওয়াল থেকে সরিয়ে নেয় তারা।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION